যারা ভবিষ্যত গড়বে
তারা এখান থেকেই শুরু করে!
আমরা বিশ্বাস করি, একটি লেখা বদলে দিতে পারে একটি মন, আর একদিন সেই মন বদলে দিতে পারে পুরো দুনিয়াকে! কিন্তু যদি সেই লেখা চুরি বা কপি হয়ে যায়, লেখক শুধু নিজের পরিচয় হারান না—তাদের উদ্যমও ক্ষয় হয়, নিরুৎসাহিতও হয়। তাই আমরা তৈরি করেছি ‘কেন্দ্রীয় লেখক ইকো সিস্টেম’, যা নিশ্চিত করবে লেখকদের লেখা সবসময় সুরক্ষিত থাকবে। ফলে কেউ লেখা কপি করলেও, পাঠক মুহূর্তেই মূল লেখককে শনাক্ত করতে পারবে এবং মূল লেখকের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে গড়ে উঠবে ‘লেখক-পাঠক’ এর উদ্যমী কমিউনিটি।
এই ‘কেন্দ্রীয় লেখক ইকো সিস্টেম’-এর নাম ই-নলেজ আইডিয়া। আমাদের মনের নানা কৌতুহলী প্রশ্নের উত্তর সেরা হতে পারে জ্ঞানী লেখকদের কাছ থেকেই। তাই আমরা তৈরি করেছি ‘প্রশ্ন ইকো সিস্টেম’, যার নাম ই-নলেজ কুয়েরি, যেখানে সহজেই জ্ঞানী লেখকদের কাছে প্রশ্ন করা যাবে।
আর যেকোনো জ্ঞানকে হাতের মুঠোয় আনার জন্য আছে ‘ই-নলেজ এক্সপ্লোর’, যা মুহূর্তেই যেকোনো গভীর জ্ঞান এক্সেস করবে। জ্ঞানপিপাসুদের জন্য আমরা আনতে চলেছি ‘ই-নলেজ ভিডেক্স’, যা জটিল বিষয়কে সহজ, পরিষ্কার ও চমৎকারভাবে উপস্থাপন করবে।
সময় ও সুযোগ অনুযায়ী আমরা কাজ করি ‘শিখি, জানি এবং গড়ি’—এই স্লোগানকে জীবন্ত করে। পুরো ই-নলেজ দুনিয়াই একটি শক্তিশালী ‘লার্নিং ইকো সিস্টেম’।
Enolej নামের মধ্যেই লুকিয়ে আছে সেই রহস্য: Empowering NOvel LEarners with Joy = ENOLEJ, স্লোগান "Learn, Grow and Transform"। আমরা বদলে দেবো পুরো দুনিয়াকে!
এবং এই যাত্রার সূচনা করেছেন ফাউন্ডার মো: আশরাফ উদ্দিন খান, মাত্র ১২ বছর বয়সেই ই-নলেজ প্রতিষ্ঠা করে প্রমাণ করেছেন—বয়স কোনো বাধা নয়। নিজের শক্তি, উদ্যম এবং আত্মবিশ্বাস দিয়ে পৃথিবীকে কিছু ভালো উপহার দেওয়ার জন্য আমরা সবাই সক্ষম।