person
!
প্রোফাইল আপডেট

কত খ্রিস্টাব্দে সুলতান মাহমুদ গজনীর সিংহাসনে আরোহন করেন?

06 জুন 2020 "ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (বিশারদ) (3,557 পয়েন্ট)
25 জুলাই 2020 পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
1,495 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ

সুলতান মাহমুদ গজনী, যিনি ইতিহাসে একজন প্রভাবশালী তুর্কি-মুসলিম শাসক হিসেবে পরিচিত, ৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে গজনীর সিংহাসনে আরোহন করেন। তিনি ছিলেন গজনভিদ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সাবুকতেগিনের পুত্র। তার শাসনকাল ছিল ৯৯৮ থেকে ১০৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত। এই সময়কালেই তিনি ইসলামী বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী শাসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং বহু ঐতিহাসিক অভিযানের মাধ্যমে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন।


সিংহাসনে আরোহনের প্রেক্ষাপট


সাবুকতেগিন ৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে মারা যাওয়ার পর গজনভি রাজসিংহাসন নিয়ে উত্তেজনা দেখা দেয়। তখন মাহমুদের ভাই ইসমাইল সাময়িকভাবে সিংহাসনে বসেন। কিন্তু মাহমুদ গজনী সামরিক বাহিনী নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে এবং তাকে পরাজিত করেন। এর ফলে ৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে মাহমুদ গজনী গজনভি সাম্রাজ্যের পূর্ণ অধিপতি হিসেবে সিংহাসনে আরোহন করেন।


সুলতান মাহমুদের শাসনকাল ও অবদান


সুলতান মাহমুদের শাসনকাল ছিল রাজনৈতিক, সামরিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তিনি প্রায় ১৭টি ভারত অভিযান পরিচালনা করেন, যার মধ্যে সোমনাথ মন্দির আক্রমণ সবচেয়ে বেশি আলোচিত। তার অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল ইসলাম প্রচার ও সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ।


তিনি আফগানিস্তানের গজনী শহরকে একটি সাংস্কৃতিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলেন।


তিনি আল-বিরুনি ও ফেরদৌসির মতো মহান পণ্ডিতদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।


তার নেতৃত্বে গজনভি সাম্রাজ্য ইরান, আফগানিস্তান, মধ্য এশিয়া এবং ভারতের কিছু অংশ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।



সুলতান মাহমুদের ঐতিহাসিক গুরুত্ব 



মাহমুদ গজনী ছিলেন প্রথম মুসলিম শাসক যিনি নিজেকে “সুলতান” উপাধি দেন এবং একটি সুসংগঠিত সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বিস্তৃত সাম্রাজ্য পরিচালনা করেন। তিনি ভারতবর্ষে ইসলামের প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার শাসন ও অভিযানের কারণে ভারতীয় উপমহাদেশে দীর্ঘমেয়াদে মুসলিম শাসনের ভিত্তি তৈরি হয়।

06 জুন 2020 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,557 পয়েন্ট)
25 জুলাই 2020 পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
06 জুন 2020 "ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ নুর আলম (বিশারদ) (3,557 পয়েন্ট)
1 উত্তর
04 অক্টোবর 2019 "ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন পার্থ (বিশারদ) (2,763 পয়েন্ট)
1 উত্তর
06 জুন 2020 "ইসলাম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ নুর আলম (বিশারদ) (3,557 পয়েন্ট)
1 উত্তর
06 জুন 2020 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ নুর আলম (বিশারদ) (3,557 পয়েন্ট)
1 উত্তর
31 জুলাই 2020 "বাংলা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ নুর আলম (বিশারদ) (3,557 পয়েন্ট)

18,653 টি প্রশ্ন

19,566 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,478 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...