person
!
প্রোফাইল আপডেট

Finger Print system কিভাবে আমাদের শনাক্ত করে?

30 সেপ্টেম্বর 2020 "বিজ্ঞান ও প্রকৌশল" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট) 418 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
ইংল্যান্ডের অধিবাসী Sir Francis Gold আবিষ্কার করেন পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের আঙ্গুলের ছাপ ভিন্ন রকম, কেবল গত ঊনবিংশ শতাব্দিতে এ গুরত্বপূর্ণ বিষয়টি অর্থাৎ অঙ্গুলির ছাপের অনন্য বৈশিষ্ট্যগুলো আবিষ্কৃত হয়েছে। মানুষ এর আগে এগুলোকে কোন সাধারণ গুরত্বহীন বক্ররেখা হিসেবেই ভাবতো। শরীরের অন্যান্য প্রত্যঙ্গের মতো অতি স্বাভাবিক এক অস্তিত্ব রুপে গ্রহন করেছিল মানব সমাজ ,এর গভীরতম তাৎপযের্র প্রতি তেমন কেউ ভ্রুক্ষেপ করেনি। যুগান্তকারী এ আবিষ্কারের পর অর্থাৎ ১৮৮০ সাল হতেই আঙ্গুল-ছাপ একটি বৈজ্ঞানিক সনাক্তকরন সংকেতরুপে বিভিন্ন কাজে ব্যবহ্রত হতে শুরু করে।

প্রতিটি মানুষের আংগুল বহন করে ভিন্ন ডিজাইন:-

এমন কোনো ব্যক্তি পৃথিবীতে পাওয়া যাবে না যার আঙ্গুলে ছাপ অন্য কোনো ব্যক্তির সাথে সম্পূর্ন মিলে যাবে। এমনকি হুবহু একই রূপ যমজ সন্তানের পর্যন্ত প্রত্যেকেরই রয়েছে অনন্য সাধারণ ভিন্ন অঙ্গুলের রেখাসমূহ। ভিন্ন-দৃষ্টিতে বলা যায় মানুষের স্বরুপ তাদের অঙ্গুলি সমূহে সংকলনভুক্ত অর্থাৎ সংকেতিক কোডের সাহায্যে লেখা রয়েছে। আধুনিক কম্পিউটার জগতে ব্যবহৃত রেখা-সঙ্কেত অথবা  Bar code সিস্টেমের সঙ্গে তুলনা করা চলে মানুষের আংগুলের সংকলনের এই সুচারু গঠনটিকে। ফিঙ্গার-প্রিন্টের রেখা সমূহের উপর গুরত্ব প্রদান করার ব্যাপারে একটি বিশেষ অর্থ একটাই প্রত্যেকের অঙ্গুলীর রেখাসমূহ অমিশ্র ও অদ্বিতীয়। প্রতিটি মানুষ, মৃত কিংবা জীবিত , এরূপ প্রত্যেকেরই ভিন্ন ডিজাইনের অনন্য আঙ্গুলের আঁকিবুকি রয়েছে। আর তাই অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে উক্ত রেখাসমূহকে মানুষের পরিচয়ের জন্য সন্দেহাতীতভাবে গ্রহন করে নেয়া হয়েছে আর বহুমাত্রিক উদ্দেশ্যেই তা পৃথিবীর সর্বত্র ব্যবহার করা হয়।

কি কাজে ব্যবহ্রত হচ্ছে?-

এই আঙ্গুলের ছাপের মাধ্যমে পৃথিবীর বড় গোয়েন্দা সংস্থা যেমন- FBI, RAW, MOSAD, PCI, kGB, BCI- অপরাধী সনাক্ত করতে অথবা সঠিক মানুষের ধরন সনাক্ত করতে সমর্থ হয়েছে, সম্প্রতিকালে বাংলাদেশ সরকার আঙ্গুলছাপ ব্যবহার করছে ভোটের র্কাড, জাতীয়তা কার্ড, পাসপোর্ট ও বিদেশে লোক পাঠানোর জন্য, অফিসিয়াল ডাটাবেস বানানোর জন্য ও ডিবি অপরাধী চিহ্নিতকরনের লক্ষ্যে  টেকনোলজী ব্যবহার করতে শিখছে (সামান্যতম)।

কিভাবে এ-টেকনোলজীটি ব্যবহ্রত হয়?-

দৃষ্টান্ত বিভিন্ন আঙ্গিকে বিস্তারিত বলা যায় । আমি একটা ছোট ব্যাখ্যা – অপরাধের X-ample produce করছি—উদাহরন স্বরুপ ধরা যাক 1 দিন বা 6 মাস আগে অথবা তারও আগে কোন স্থানে একটি খুন হলো সাধারন মানুষজন খুনীর কোন চিহ্ন বের করতে সমর্থ হলোনা। এখানে যখন গোয়েন্দা বিভাগের লোকজন এসে অপরাধী সনাক্ত করার চেষ্টা করবেন দৃশ্যক প্রমানের পাশাপাশি তারা FIT (Finger Identification Technology) ব্যবহার করবেন। প্রত্যেক দেশের গোয়েন্দাদের সিষ্টেম ডাটাবেসে অপরাধীদের সহজে চেনার বিভিন্ন পদ্বতি থাকে তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো- Finger Identification মেথড। কিভাবে তারা আংগুল ছাপ বের করার চেষ্টা করেন তার কিছু নমুনা দেয়া হল-

1) খুনির অস্ত্রের (ছুরি, লাঠি, পিস্তল…) মধ্যে হাতের ছাপ পাওয়ার সমুহ সম্ভাবনা থাকে।

2) যাকে হত্যা করা হয়েছে তার দেহে আংগুলের দাগ খাততে পারে

3) অপরাধী ঘরে ঢোকার সময় দরজায় ছাপ রেখে যেতে পারে

4) গ্লাসে পানে খেলে গ্লাসে আংগুলের ছাপ পাওয়া যায় সহজে।………

গোয়েন্দাগন এক বিশেষ স্প্রে ব্যাবহার করেন , যে স্থানে স্প্রে করা হবে সেখানের আংগুলের ছাপ ফুটে উঠবে । এছাড়া ল্যাবে ক্যামিকেল টেষ্টের কথা নাইবা বললাম।

আসুন দেখা যাক কুরআন কি বলছে?-

নাস্তিকরা আগের যুগেও ছিল এখনো আছে তবে বর্তমান সময়ে এদের সংখ্যা অনেক বেশি পরিলক্ষিত হয়, এরা বলে মানুষ পচে-গলে সম্পূর্ন মাটির সাথে মিশে যাবে তখন তাকে কে উত্থিত করবে? কে তাকে সম্পূর্ন অবিকল দেহ ফিরিয়ে দেবে? যখন কোরআনে বলা হয় যে, মৃত্যুর পর মানুষকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা আল্লাহ তাআলার জন্য অতি সহজ কাজ, তখন মানুষের আঙ্গুলের রেখাসমূহের (ছাপের) উপর বিশেষভাবে জোর দেয়া হয়েছে। কোরআনে এই অঙ্গুলী রেখাসমূহের প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে যা সে সময়ে কারো মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারেনি এবং আল্লাহ এই গুরত্বটির প্রতি আমাদের গভীরভাবে মনোযোগ দেয়ার জন্য আয়াতের (টেলিগ্রাফিক ম্যাসেজ) মাধ্যমে আহবান করেছেন- যে প্রয়োজনীয়তার কথা অবশেষে টেকনোলজীর যুগে মানুষ অনুধাবন করতে পারছে, সামান্য হলেও। আল্লাহপাক বলেন –

07.003 أَيَحْسَبُ الإنْسَانُ أَلَّنْ نَجْمَعَ عِظَامَهُ

07.004 بَلَى قَادِرِينَ عَلَى أَنْ نُسَوِّيَ بَنَانَهُ

Al-Qur’an, 07.003-004 (Al-Qiyama [The rising of The dead, resurrection])

মানুষ কি ধারণা করে যে, আমি তার হাড়সমূহ একত্র করতে পারব না ? হ্যাঁ, অবশ্যই আমি একত্র করব। কেননা আমি তার অঙ্গুলির অগ্রভাগ পর্যন্ত যথাযথভাবে ঠিক করে দিতে সক্ষম। ( কোরআন, ৭৫: ৩-৪) (অনুবাদ:-মাওলানা সালাহউদ্দীন ইউসুফ, পাকিস্তান)

ভাবুন একবার ১৪০০ বৎসর আগে এই গুরুত্বপূর্ন তথ্য কার জানা ছিল?-

দুই ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপের পার্থক্য এতই আপেক্ষিক ও সূক্ষ্ম যে, কেবল অভিজ্ঞ ব্যক্তিই উপযুক্ত যন্ত্রপাতির মাধ্যমে তা শনাক্ত করতে পারে। এটি কুরআন মাজিদের অপর এক মুজিজা যে তা এই বাস্তবতার বর্ণনা দিয়েছে মানুষ তা ধারণা করারও বহু আগে। আমাদের জীবন অতি সংক্ষিপ্ত আরো অনেক কিছু আবিষ্কার হবে ভবিষ্যতে কিন্তু ততোদিন আমরা মাটির সাথে মিশে যাবো ,কিন্তু যখন বিচার-দিবস উপস্থিত হবে আমাদের অবিকল শরীর দিয়ে মাটি হতে উঠানো হবে এবং আল্লাহ বলছেন এত অবিকল দেহ ফিরে পাবে যে নিজের আংগুলের ছাপ সহ সে সনাক্ত করতে পারবে। আসুন আল্লাহর দিকে আমরা ঈমান আনি তারঁ দেয়া বিধান নিঃসঙ্কোচে , নির্ভিকভাবে অন্তরের অন্তন্থল হতে মেনে নেই। সৃষ্টিকর্তা আমাদের Super Brain দিয়েছেন বন্য প্রানির মতো খেয়ে-দেয়ে বিয়ে-বাচ্চা লালন ও মরার সময় আসলে মরার জন্য নয়!! দুনিয়াতে প্রায় 700 কোটি মানুষের অস্তিত্বের অবশ্যই উদ্দেশ্য আছে, ভাবুন একবার ১৪০০ বৎসর আগে এই গুরুত্বপূর্ন তথ্য কার জানা ছিল? কেন তিনি এতথ্য আমাদের দিলেন?
30 সেপ্টেম্বর 2020 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
20 মার্চ 2021 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Aolad hosen (অতিথি) (6 পয়েন্ট)
1 উত্তর
13 নভেম্বর 2020 "রূপচর্চা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anisa Islam (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট)
1 উত্তর
13 নভেম্বর 2020 "খাদ্য ও পানীয়" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anisa Islam (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট)
1 উত্তর
08 অক্টোবর 2019 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মো অনিক (প্রতিভাবান) (5,556 পয়েন্ট)
1 উত্তর
05 অক্টোবর 2019 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন জামিনুল রেজা (পন্ডিত) (12,493 পয়েন্ট)

18,654 টি প্রশ্ন

19,525 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,471 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...