person
!
প্রোফাইল আপডেট

সময় এর বিপরীত শব্দ?

06 জানুয়ারি 2024 "মাধ্যমিক পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
19 মার্চ 2024 সম্পাদিত করেছেন
2,002 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

2 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ
  সময় হচ্ছে একটি চলমান রাশি ।

  এর বিপরীত অর্থ জানতে হলে এমন একটি অচল রাশি এর কথা চিন্তা করতে হবে যাহা সময়ের বিপরীত মুখী গুণ অথবা বিরোধী গুণ সম্পন্ন হতে হবে।

  কিন্তু এধরনের কোন কিছু আছে বলে জানা যায় নি।

  সময় সমন্ধে বৈজ্ঞানিকেরা কিছু তথ্য দিয়েছেন যেগুলো আমাদের মতো লোকের কাছে আজব ব্যাপার মনে হয়।

 যেমন:- (১) সময় হচ্ছে আপেক্ষিক । অর্থাৎ পিরামিড এর উপর বসা ব্যাক্তির সময় ধীর গতিতে চলে আর পিরামিড এর নীচে বসা ব্যাক্তির সময় দ্রুত গতিতে চলে।

 (২) সময় নিশ্চল হতে পারে। ব্লেক হোল এর ভেতরে সময় চলে না। সেখানে সময় নিশ্চল।

  (৩) সময় এর গতিপথ বক্র। পৃথিবী গ্রহ নক্ষত্র সমুদ্র এইসব জায়গায় সময় এর গতিপথ বক্র। বিভিন্ন মহাকর্ষীয় শক্তি চুম্বক শক্তি এই গতিপথ কে বক্র করে দেয়। এতে সময়ের হের ফের হয় ।

   কিন্তু বৈজ্ঞানিকদের এই তথ্য থেকে যে প্রশ্নটি মাথায় আসছে তা হলো, সময় নিশ্চল হয়ে কত বৎসর আছে? 

এই হিসাব করতে ও তো সময়ের হিসেব দরকার। তাহলে সময় নিশ্চল হচ্ছে কোথায়? 

    "বিস্তৃতি, সময় ও ঈশ্বর" এই তিনটি মানুষের জ্ঞানের পরিধি এর বাইরে।

   একটি সরলরেখা আকাশের উপরের দিকে টানতে থাকুন। এটি বায়ুমণ্ডল মহাকাশ পার হয়ে গেলেও আরো উপরের দিকে টানতে পারবেন। এই বিস্তৃতি এর শেষ নেই।

  সময় কখন থেকে চালু হয়েছে, কত দিন অচল ছিল, কখন আবার অচল হবে তা মানুষের জ্ঞানের পরিধি এর বাইরে।

   ঈশ্বর নিরাকার, রূপ রস গন্ধ এবং বিকৃতি ঈশ্বর এর নেই। এই অবস্থার কল্পনা বা জ্ঞান মানুষের জ্ঞানের পরিধি এর বাইরে।

   ভালো সময়, খারাপ সময়, সঠিক সময়, ভূল সময়, উপযুক্ত সময়, অসময় এগুলো মানুষের নিজের অবস্থা বর্ণনা করে মাত্র। এটা সময়ের বর্ণনা নয়।

   ভালো সময় একজনের কিন্তু ঐ সময়টাই আরো একজনের কাছে খারাপ সময়। 
30 মার্চ 2024 উত্তর প্রদান করেছেন (নবীন) (19 পয়েন্ট)
0 পছন্দ 0 অপছন্দ
"সময়" এর বিপরীত শব্দ নির্ভর করে আপনি "সময়" কে কোন অর্থে ব্যবহার করছেন তার উপর।

কিছু সম্ভাব্য বিপরীত শব্দ:

অসময়: যখন সময় উপযুক্ত নয়।

স্থায়ী: যখন কিছু চিরকাল ধরে থাকে।

শাশ্বত: যখন কিছু অনন্তকাল ধরে থাকে।

অনির্দিষ্ট: যখন কিছুর সময় নির্ধারণ করা হয়নি।

অতীত: যখন কিছু বর্তমানের আগে ঘটেছে।

ভবিষ্যৎ: যখন কিছু বর্তমানের পরে ঘটবে।

ক্ষণস্থায়ী: যখন কিছু খুব অল্প সময়ের জন্য থাকে।

অস্থায়ী: যখন কিছু দীর্ঘস্থায়ী হয় না।

বিরতি: যখন কিছু থেমে থাকে।

বিপরীত: যখন কিছু বিপরীত দিকে চলে।

উদাহরণ:

"তারা অসময়ে চলে এসেছিল।"

"সত্য স্থায়ী।"

"ঈশ্বর শাশ্বত।"

"তার মৃত্যুর সময় অনির্দিষ্ট।"

"অতীত কে আর बदला যায় না।"

"ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত।"

"সুখ ক্ষণস্থায়ী।"

"মানুষের জীবন অস্থায়ী।"

"কাজের বিরতি নিন।"

"বিপরীত দিকে যেতে হবে।"

কোন শব্দটি ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করবে আপনার বাক্যের প্রসঙ্গের উপর।

আরও কিছু বিষয়:

"সময়" এর বিপরীত শব্দ "অসময়" বাদে, অন্যান্য শব্দগুলো সম্পূর্ণ বিপরীত নয়।

"সময়" এর বিপরীত শব্দ "অসময়" কেবলমাত্র "সময়" এর একটি নির্দিষ্ট দিককে বোঝায়।

আশা করি এই তথ্য আপনার কাজে লাগবে।
15 মার্চ 2024 উত্তর প্রদান করেছেন (অতিথি) (14 পয়েন্ট)
19 মার্চ 2024 পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
উদাহরণ প্রাসঙ্গিক মনে হছে না। আমার ভুল হতে পারে, একটু আপনার উত্তরকে দেখার পরামর্শ দিচ্ছি
19 মার্চ 2024 মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (জ্ঞানী) (637 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
07 জানুয়ারি 2024 "মাধ্যমিক পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
28 জানুয়ারি 2021 "মাধ্যমিক পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অলক তালুকদার (গুণী) (212 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
15 মে 2024 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ওয়াহিদা
1 উত্তর
26 অগাস্ট 2023 "শিক্ষা প্রতিষ্ঠান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
0 টি উত্তর
23 অগাস্ট 2023 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

18,654 টি প্রশ্ন

19,525 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,473 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...