person
!
প্রোফাইল আপডেট

চা কিভাবে তৈরি করে ?

02 নভেম্বর 2019 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (গুণী) (179 পয়েন্ট) 267 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ

চা বানানো— এ আর এমন কী। এমনটি ভাবাই স্বাভাবিক। আসলে বিষয়টি হলো এমন যে, আপনি হয়তো জানেন চা কীভাবে বানাতে হয়। তবে চা বানানোর সঠিক পদ্ধতিটি কী সেটি আপনার কাছে সুস্পষ্ট নাও থাকতে পারে।

গরম পানিভর্তি কাপে টি-ব্যাগ ভিজিয়ে দেওয়া কিংবা পাত্রের ভেতর চা দিয়ে তাতে গরম পানি ঢেলে দেওয়া—  এটা কে-না জানে। কিন্তু এতে আসল চা হয় না। আসল চা বানানো মানে চলন্ত গাড়িতে বসে দ্রুত আসনে ঠেস দিয়ে বসা নয়। অবশ্য কফির ক্ষেত্রে এটা প্রযোজ্য হতে পারে। কিন্তু চা বানাতে হয় ধীরে, অর্থপূর্ণভাবে তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে মোহাবিষ্ট করতে হয়। চা বানানো সহজ কাজ নয়। এ মত কয়েক প্রজন্ম ধরে চা তৈরিতে পারদর্শী বিশেষজ্ঞদের।

তারা বলেন, ‘চায়ের রং, এর শরীর ও গন্ধ—  এ তিনটি উপাদান চিনতে পারাটাই আসল বিষয় নয়। অধিকাংশ মানুষই ভুল করে এটা ভেবে যে, রং ঠিক তো সব ঠিক। যদি তাই হয় তবে বুঝতে হবে আপনি আবারও ভুল করলেন।কাপের গরম পানিতে টি-ব্যাগ মৃদু ঝাঁকি দেওয়া কিংবা যতক্ষণ না এটা ঘন হয় পাত্রটিকে ঘোরানো অথবা পোড়া আঠালো মিছরির রং—  এসবই ভালো। রংটা ঠিকমতো হয়েছে—  তবে এটাই সবকিছু নয়। আসল চায়ের জন্য আপনাকে যা করতে হবে তা হলো— বিলম্বিত লয়, ধৈর্য্য ধারণ এবং নিজস্বতা অর্জনের লক্ষণগুলো অর্জন করা। এর সবকিছুরই শুরু হয় কেটলিতে পানি গরম হওয়ার শুরুতেই।এ জন্য মেনে চলুন নিচের নির্দেশনাগুলো—

পানি ফুটে গেলে কেটলি থেকে ফুটন্ত পানি ঢালুন এবং চামচ দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়তে থাকুন। এতে পানিতে থাকা অক্সিজেন বেরিয়ে যাবে এবং যখন চা-পাতা মেশানো হবে তখন এর ফ্লেভার বেরিয়ে যেতে পারবে না। এর পর ঠাণ্ডা হওয়ার আগেই এতে চা-পাতা মেশান।

আপনি যদি কালো চা পছন্দ করেন তবে চায়ে ফুটন্ত পানি ঢালুন তারপর অপেক্ষা করুন আড়াই থেকে তিন মিনিট। এই সময়টুকু দিতে হবে এ কারণে যে— এই সময়ের মধ্যে চায়ের স্বাদটুকু পানিতে মিশে যেতে পারে।যদি আপনি সবুজ চা খেতে চান তবে গরম পানিতে চা-পাতা দেওয়ার পর দুই মিনিটের বেশি রাখবেন না— কারণ এতে চা তেতো হয়ে যেতে পারে। সব শেষে ছাকনি দিয়ে ছেঁকে তাতে দুধ মেশান।

ব্রিটিশদের মতে, কফির চেয়ে চা ভালো। তবে কফির পক্ষও বেশ ভারী। একটু বেশি চাঙ্গা হতে বা চনমনে বোধ করতেই কফি ভক্তরা কফি খান বলে মন্তব্য চা ভক্তদের। যাই হোক, এই পৃথিবীতে এখনো চা যে কফির চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং প্রচলিত তাতে কোনো ভুল নেই।

চায়ের ভক্ত ব্রিটিশদের এই পানীয় নিয়ে বহু নিয়ম-কানুন রয়েছে। চায়ের পানি কখন ফোটাতে হবে, কখন দুধ দিতে হবে, কখন চিনি ঢালতে হবে ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা চলে রীতিমতো। সবচেয়ে বড় বিতর্ক যে বিষয় নিয়ে চলে তা হলো, কাপে দুধের আগে পানি দিতে হবে, নাকি পানির আগে দুধ নিতে হবে?

> ড. স্ট্যাপলের কথা অনুযায়ী যদি দুধের ভিন্ন অবস্থা স্বাদহীন হয়, এর অর্থ হলো প্রক্রিয়াজাত প্রোটিনের চেয়ে আসল অবস্থার স্বাদ বেশি ভালো। কিন্তু কাঁচা মাশরুমের চেয়ে তা ভেজে খেলে বেশি স্বাদ লাগে। কাজেই দুধের ক্ষেত্রে কেন তা হবে না? বিজ্ঞজনের মতে, চায়ের স্বাদ এসব উপকরণ মেলানোর পদ্ধতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। একে পরিবেশনের উপায়টিও গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ সাধারণত বিশেষ মুহূর্তে বা বিশেষ উপলক্ষে চা খায়। আর এ কারণেই ‘টি ব্রেক’ কথাটি এসেছে। একেক মানুষের মধ্যে অবশ্য একেক পরিবেশে কাজের ভিন্নতা বা মন-মানসিকতার ভিন্নতায় চায়ের প্রতি বিভিন্ন রকমের আকর্ষণ কাজ করতে পারে।

বহু বিতর্কের পর চা ভক্তরা শেষ পর্যন্ত নিজের সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিয়েছেন। চা তৈরির সবচেয়ে ভালো উপায় বলতে সেই পদ্ধতিকেই বোঝায় যে উপায়ে চা আপনার কাছে সবচেয়ে উপভোগ্য হয়ে উঠবে। তবে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করলে এমন চা পাবেন যা আপনি কখনোই খেতে চাইবেন না, এ বিষয়ে নিশ্চিত থাকতে পারেন। কাজেই নানা উপায়ে চা বানিয়ে আপনার কাছে উপভোগ্য হয় এমন পদ্ধতি বের করুন এবং সেভাবেই চা বানিয়ে খেতে পারেন।


02 নভেম্বর 2019 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
11 সেপ্টেম্বর 2021 "রান্না" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Niloy chandro (গুণী) (176 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
10 জুলাই 2021 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ইফতেখার নাইম (জ্ঞানী) (637 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
0 টি উত্তর
10 জুন 2021 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন ইফতেখার নাইম (জ্ঞানী) (637 পয়েন্ট)

18,654 টি প্রশ্ন

19,525 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,473 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...