person
!
প্রোফাইল আপডেট

সেহরি না খেলে রোজা হবে কিনা?

"সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (বিশারদ) (4,107 পয়েন্ট) 679 বার প্রদর্শিত
কোনো কারণে সেহরি না খেতে পারলে, তারপরও সারাদিন রোজা রাখলে কি সেই রোজা কবুল হবে?? 

লিংক কপি হয়েছে!

3 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ
কোনো কারনে সেহরী না খেতে পারলে সারাদিন রোজা রাখলে রোজার কোনো ক্ষতি হবে না।তবে সেহরি না খেলে সুন্নত আদায় হবেনা।এক্ষেত্রে সেহরী খেলে সুন্নত আদায় হবে।তবে সেহরী না খেলেও রোজা হবে।
উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (2,083 পয়েন্ট)
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ
সেহরি না খেলেও রোযা শুদ্ধ হবে ইনশাআল্লাহ। তবে ইচ্ছাকৃত ভাবে তা পরিত্যাগ করা উচিৎ নয়।
কেননা রোজা রাখার জন্য সেহরি খাওয়া সুন্নত (সুন্নতে মুআক্কাদা বা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত)। কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে তা বাদ দিলে সুন্নত পালনের সওয়াব থেকে বঞ্চিত হওয়ার পাশাপাশি আল্লাহর দেওয়া বিশেষ বরকত থেকেও বঞ্চিত হবে।
তাছাড়া সাধারণত: পেটে অতিরিক্ত ক্ষুধা থাকলে দুনিয়াবি কাজ-কর্ম ও ইবাদত-বন্দেগিতে ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভূত হয় এবং মনে উদোম ও স্প্রীহা কমে যায়। পক্ষান্তরে সেহরি খেলে শরীরে শক্তি ও উদোম বজায় থাকে এবং ইবাদত-বন্দেগি সহ সব কিছুতে পর্যাপ্ত শক্তি ও আনন্দ পাওয়া যায়। তাই তো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেহরি খাওয়ার জন্য তার উম্মতকে উৎসাহিত করেছেন এবং তা বাদ দিতে নিষেধ করেছেন। যেমন:
◍ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:
تَسَحَّرُوا فَإِنَّ فِي السَّحُورِ بَرَكَةً
“তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে।”
(বুখারি ও মুসলিম)
◍ তিনি আরও বলেন:
السُّحَوُرُ كُلَّهُ بَرَكَةٌ فَلَا تَدَعُوهُ, وَلَوْ أَنْ يَجْرَعَ أَحَدُكُم جَرْعَةً مِنْ مَاءٍ, فَإِنَّ اللَّهَ –عَزَّ وَجَلَّ- وَمَلائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى المُتَسَحِّرِينَ
“সেহরি খাওয়ায় বরকত রয়েছে। তাই তা তোমরা ছেড়ে দিয়ো না। এক ঢোক পানি দ্বারা হলেও সেহরি করে নাও। কেননা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ও ফেরেশতাগণ সেহরিতে অংশ গ্রহণকারীদের জন্য দোয়া করে থাকেন।” (মুসনাদে আহমদ, ইমাম মুনযেরী বলেন: এর সনদ শক্তিশালী-হাসান লি গাইরিহ)
◍ তিনি আরও বলেন:
ﺗَﺴَﺤَّﺮُﻭْﺍ ﻭُﻟَﻮْ ﺑِﺠُﺮْﻋَﺔٍ ﻣِﻦْ ﻣَﺎﺀٍ
“সেহরি গ্রহণ করো যদিও এক ঢোক পানি দিয়েও হয়।”
(সহিহ ইবনে হিব্বান)
◍ তিনি আরও বলেন,
ﺇِﻧَّﻬَﺎ ﺑَﺮَﻛَﺔٌ ﺃَﻋْ<ﻄَﺎﻛُﻢُ ﺍﻟﻠﻪُ ﺇِﻳَّﺎﻫَﺎ ﻓَﻼَ ﺗَﺪَﻋُﻮْﻩُ <br> “‘নিশ্চয় সেহরি বরকত পূর্ণ যা আল্লাহ তাআলা তোমাদেরকে বিশেষভাবে দান করেছেন। অতএব তোমরা তা পরিত্যাগ করো না।” ( সহিহ নাসাঈ হা/২১৬১)
◍ অন্য হাদিসে এসেছে:
عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السَّحَرِ
আমর ইবনুল আস রা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: “আমাদের এবং আহলে কিতাব (ইহুদি-খৃষ্টানদের) রোজার মধ্যে পার্থক্য হল, সেহরি খাওয়া।”
উত্তর প্রদান করেছেন (গুণী) (174 পয়েন্ট)
পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
0 পছন্দ 0 অপছন্দ

সেহরি অত্যন্ত বরকতময় খাবার এবং সেহরি খাওয়া সুন্নত।সেহরি না খেয়ে রোজা রাখা জায়েজ হবে, এতে কোনো আপত্তি নেই।

রোজা রাখার জন্য সেহরি খাওয়া জরুরি নয়। বুখারি শরীফের ১৯২৩ নং হাদীসে বর্ণীত, নবী করীম (সা.) বলেন, তোমরা সেহরি খাও, কারণ সেহরিতে বরকত রয়েছে। সুতরাং সেহরী না খেলে সুন্নাত আদায় হয় না। তবে রোজার কোন ক্ষতি হয় না। রোজা হয়ে যায়।

মুসলিম শরীফের ২৬০৪ নং হাদীসে রয়েছে, নবী করীম (সা.) বলেন, আমাদের ও ইহুদী-নাসারাদের রোজার পার্থক্য হলো সেহরি খাওয়া। আর তাই সেহরির গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে নবী করীম (সা.) আরও বলেন, এক ঢুক পানি দিয়ে হলেও সেহরি গ্রহণ করো।


সেহরি খুব ভালো মতো না খেলে তা হবে না, এমনটা ভাবা যাবে না। যদি কেউ জাগতে না পারেন, এমনকি ফজরের ওয়াক্ত হয়ে যায়। তখনও সেহরি গ্রহণ করতে না পারার অজুহাতে রোজা ছেড়ে দেয়া যাবে না। সেহরির সময় শেষ হওয়ার পূর্বে যদি একটু পানিও পান করা যায়। তবে তাই করতে হবে। এতেই সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে।

উত্তর প্রদান করেছেন (অতিথি) (11 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
1 উত্তর
"আইকিউ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন জামিনুল রেজা (পন্ডিত) (12,616 পয়েন্ট)
1 উত্তর
"সিয়াম" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল

18,653 টি প্রশ্ন

19,566 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,481 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...