person
!
প্রোফাইল আপডেট

গেম খেলা কি খারাপ?এতে কি সাইকোলজিক্যাল কোনো বিষয় আছে?

14 জুন 2021 "মনোবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল 334 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ
প্রথমত,আমি ক্লিয়ারলি বলে দিচ্ছি গেম খেলা কোনোভাবেই খারাপ নয়।

তাই আমি গেম খেলার একদমই বিরোধী নয়।

প্রশ্ন ১ঃসাইকোলজিক্যাল কোনো বিষয় আছে কিনা।

-হ্যা,গেমস/সোসাল সাইট ইত্যাদি তৈরি করার সময় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাইকোলজিস্ট হায়ার করা হয়।যারা আপনার ব্রেইনের জেনারেল এলগরিদম ইউজ করে আপনাকে গেমের বা ওই সাইটের প্রতি আসক্ত করে।কারন আপনাকে যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের সাইটে/গেমে রাখতে পারবে,ততই তাদের আয় হবে।আপনি গোল্লায় যাচ্ছেন কি না যাচ্ছেন তাতে তাদের কিচ্ছু যায় আসেনা।

মার্ক জাকারবার্গের কিন্তু সাইকোলজিতেও ডিগ্রি আছে,ফলাফল আর না বলি।

প্রশ্ন ২ঃএই আসক্তির শেষ কোথায়।

-প্রথমত আসক্তি দূরীকরণ মন্ত্র হচ্ছে ম্যাচুরিটি।আর ম্যাচুরিটি হচ্ছে "আপনি কোনো একটা আনকমফোর্টেবল সিচুয়েশনে কতটুকু সেল্ফ কনট্রোল রাখেন"।গেমটির সাপেক্ষে বললে,("গেমটি যতই খেলতে ইচ্ছা হোক, এই সিচুয়েশনে আপনি নিজেকে কতোটা কনট্রোল করতে পারতেছেন এটাই আপনার এই গেমের উপরে ম্যাচুরিটি) 

এই ব্যাপারটা বুঝতে দুইটা সিনারিও নেয়া যাক,

সিনারিও ১ঃএকজন টিনেজার(1+) যে পাবজি আসক্ত

সিনারিও ২ঃএকজন যুবক(2+) যে পাবজি আসক্ত।

এখন আপনি এই দুইজনকেই যদি নিজে থেকে পাবজি ছেড়ে দিতে বলেন,তাহলে দেখা যাবে যে, ১৫ বছরের টিনেজারের চেয়ে ২৫ বছরের যুবকের গেমটি ছেড়ে দেয়ার পসিবলিটি অনেক বেশি।কারন কী?-"পুরুষরা স্বাভাবিক ভাবে ২৫ বছর বয়সের মধ্যে মোটামুটি মেন্টালি ম্যাচিউরড হয়ে যায়"।তাই তার সেল্ফ কনট্রোলও স্বাভাবিক ভাবেই বেশি।

তবে টিনেজারদের ক্ষেত্রে সলিউশন কী?-এখানে আসবে ফোর্সফুল ডিএসোসিয়েশন,আর স্ট্রিক্ট প্যারেন্টিং।টিনেজাররা এখনো ম্যাচিউরড না,তাই এক্ষেত্রে তাদের বাবা মায়ের খুব বড় দায়িত্ব হচ্ছে ছেলে/মেয়েকে দরকার পরলে জোর করে ইভেন ফিজিক্যালি মারার দরকার পরলে সেটার মাধ্যমে হলেও তাদের ব্যাড হ্যাবিট থেকে আলাদা করতে হবে।আলাদা করা মানে এটা না যে একেবারে গেম থেকে দূরে রাখতে হবে।তবে কনট্রোলড পর্যায়ে রাখতে হবে।গেমকে রিওয়ার্ড হিসেবে দেয়া যেতে পারে।যেমন ডেইলি পড়ালেখা,হোমওয়ার্ক কমপ্লিট করলে তখন দুই ঘন্টা গেম খেলতে দেয়া হবে।

অনেক টিনেজারের আবার স্ট্রিক্ট গার্ডিয়ান থাকেনা,তাদের জন্য উপদেশ হচ্ছেঃ"গেমকে রিওয়ার্ড হিসেবে ব্যাবহার করো,সারাদিনের টাস্ক কমপ্লিট হলেই তখন গেম খেলতে পাবে।এইরকম কিছু"কিন্তু যদি এতকিছুর পরেও কনট্রোল না থাকে,সোজা ডিলিট দিয়ে দিও।এইসব কনট্রোল ফনট্রোল তোমার দ্বারা হবেনা।

C:

thomas
14 জুন 2021 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

2 টি উত্তর
27 সেপ্টেম্বর 2021 "সাধারণ" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন MD Shafe hossen (নবীন) (71 পয়েন্ট)
1 উত্তর
07 ডিসেম্বর 2021 "পড়াশোনা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন রিয়াজ
1 উত্তর
29 এপ্রিল 2022 "সংস্কৃতি" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Md Rana (অতিথি) (9 পয়েন্ট)
1 উত্তর
19 ফেব্রুয়ারি 2020 "মনোবিজ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Muminul Islam (বিশারদ) (1,763 পয়েন্ট)

18,654 টি প্রশ্ন

19,525 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,471 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...