person
!
প্রোফাইল আপডেট

অপারেটিং সিস্টেম কি ও কিভাবে কাজ করে?

24 সেপ্টেম্বর 2021 "কম্পিউটার" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট) 519 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ

 ইংরেজি এ শব্দ দুটোকে ব্যবচ্ছেদ করলে এর মানে দাঁড়ায় কোন পদ্ধতি পরিচালনা করা। সোজা ভাবে বলতে গেলে, এটি কম্পিউটার এর এমন একটি প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার যার কাজ হলো ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটার এর হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে সমন্বয় সাধন করা এবং কম্পিউটার এর বিভিন্ন প্রোগ্রামের ইনপুট, আউটপুট, স্টোরেজ এবং প্রসেসিং এর জন্য কাজ করা


বলা হয়ে থাকে অপারেটিং সিস্টেম হলো যে কোন কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রোগ্রাম।একটা আধুনিক কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন মুখী এবং বেশ জটিল।
যাই হোক, আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমের কার্যাবলী কে আমরা সাধারণত চার ভাগে ভাগ করতে পারি।

১. প্রসেস ব্যবস্থাপনাঃ

কম্পিউটারের প্রসেসর একটা সিরিয়াল ডিভাইস হওয়ায় এটি একই সময়ে যে কোন একটি প্রসেস ( চলমান প্রোগ্রাম) এর কাজ করতে পারে। আমরা অনেকেই হয়তো জানি যে, একটি কম্পিউটারে একই সাথে অনেক প্রসেস প্রক্রিয়াধীন থাকে।এখানে অপারেটিং সিস্টেম কাজ হলো এটা নির্ধারণ করা যে, কখন কোন প্রসেসটি কম্পিউটারের প্রসেসর দিয়ে ফাংশনাল কাজে ব্যবহৃত হবে।

২. মেমোরি ব্যবস্থাপনাঃ

কম্পিউটারে কোন প্রসেস চলার সময়, প্রয়োজনীয় ফাইল স্টোরেজ (HDD অথবা SDD) থেকে র‍্যাম এ লোড করে নেয়। এখানে অপারেটিং সিস্টেম এটাই ফিক্স করে, কোন প্রসেস মেমোরির কত টুকু জায়গা কতক্ষণ এবং কীভাবে ব্যবহার করবে।

৩. স্টোরেজ ব্যবস্থাপনাঃ

অপারেটিং সিস্টেম এর কাজ হলো সিস্টেম স্টোরেজ কে সিস্টেম ফাইল হিসেবে রুপান্তরিত করা। ফলে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলটি স্টোরেজ এ কোন অবস্থায় কতটুকু স্পেস নিয়ে আছে এটাও অপারেটিং সিস্টেম নিজেই নির্ণয় করে।

৪. সুরক্ষা ও নিরাপত্তাঃ

কম্পিউটারের কোন এক প্রসেস যেন অন্য কোন প্রসেস এর কাজে বিঘ্ন না ঘটায় অপারেটিং সিস্টেম সেটা নিয়মিত দেখাশোনা করে এবং প্রতিটি কম্পিউটারের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।

অপারেটিং সিস্টেম কত প্রকারঃ

অপারেটিং সিস্টেম কে চার ভাগে ভাগ করা যায়, কোন ধরনের কম্পিউটার তারা কন্ট্রোল করে এবং কোন ধরনের এপ্লিকেশন তারা সমর্থন করে এর উপর ভিত্তি করে।

১. রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS)

রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেমগুলি যন্ত্রপাতি, বৈজ্ঞানিক যন্ত্র এবং শিল্প ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
এই অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো কম্পিউটারের রিসোর্স পরিচালনা করা যেন প্রতিবার যখন কোন নির্দিষ্ট অপারেশন কার্যকর হয়, সেটা যেন একই সময়ে এবং একই পরিমানে সম্পাদিত হয়।

২. সিঙ্গেল ইউজার, সিঙ্গেল টাস্ক

নামটি থেকে বোঝা যায়, এই অপারেটিং সিস্টেমটি কম্পিউটার পরিচালনা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে যাতে কোনও ব্যবহারকারীর একবারে কার্যকরভাবে একটি কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
পালম হ্যান্ডহেল্ড কম্পিউটারের জন্য পালম ওএস হলো সিঙ্গেল ইউজার সিঙ্গেল টাস্ক অপারেটিং সিস্টেমের একটি ভাল উদাহরণ।

৩. সিঙ্গেল ইউজার, মাল্টি টাস্কিং।

-বর্তমানে এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম বেশিরভাগ ইউজার রা তাদের ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপ কম্পিউটারগুলিতে ব্যবহার করে। মাইক্রোসফ্টের উইন্ডোজ এবং অ্যাপলের ম্যাক অপারেটিং সিস্টেম উভয়ই এই অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ যা একটি সিঙ্গেল ইউজার কে একই সময়ে বিভিন্ন প্রোগ্রাম চালু করতে দেয়

৪. মাল্টি ইউজার।

এ অপারেটিং সিস্টেমটি একটি বহু-ব্যবহারকারী অপারেটিং সিস্টেম। এই সিস্টেমে এক সাথে অনেকগুলি পৃথক ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের রিসোর্স গুলোর সুবিধা একই সাথে নিতে দেয়।

ইউনিক্স, ভিএমএস এবং মেইনফ্রেম অপারেটিং সিস্টেমগুলি, যেমন এমভিএস, বহু-ব্যবহারকারী অপারেটিং সিস্টেমের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

অপারেটিং সিস্টেম এর তালিকাঃ

ইদানীং কম্পিউটার যেমন উন্নতি করেছে এবং বিকাশ করেছে, তেমনি কম্পিউটারের বিভিন্ন কমার্শিয়াল, ফ্রি,ওপেন সোর্স, ক্লোজড সোর্স অপারেটিং সিস্টেম গুলো ও ব্যপক উন্নতি হয়েছে।
নীচে অপারেটিং সিস্টেমের বিভাগগুলির একটি প্রাথমিক তালিকা এবং প্রত্যেক বিভাগের কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ দেওয়া হলো-

১. গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস।

যেমনঃউইন্ডোজ সিই,উইন্ডোজ ৯৮ ইত্যাদি।

২. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।

যেমনঃলিনাক্স, ইউনিক্স, উইন্ডোজ ২০০০ ইত্যাদি।

৩. মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম।

যেমনঃ লিনাক্স, ইউনিক্স, উইন্ডোজ এক্সপি ইত্যাদি।

৪. মাল্টিটাসকিং অপারেটিং সিস্টেম।

যেমনঃ লিনাক্স, ইউনিক্স, উইন্ডোজ ৮ ইত্যাদি।

৫. মাল্টিথ্রেডিং অপারেটিং সিস্টেম।

যেমনঃলিনাক্স, ইউনিক্স, উইন্ডোজ এক্সপি।

৬. ট্রাবলশ্যুটিং অপারেটিং সিস্টেম।

যেমনঃউইন্ডোজ ৭, উইন্ডোজ ৮, উইন্ডোজ ১০, ম্যাক,ইত্যাদি।


24 সেপ্টেম্বর 2021 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
11 অক্টোবর 2021 "কম্পিউটার" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর
15 সেপ্টেম্বর 2020 "কম্পিউটার" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anisa Islam (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট)
1 উত্তর
29 অক্টোবর 2022 "কম্পিউটার" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল
1 উত্তর

18,654 টি প্রশ্ন

19,525 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,471 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...