person
!
প্রোফাইল আপডেট

সাওম কাকে বলে?

30 জানুয়ারি 2022 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (বিশারদ) (1,082 পয়েন্ট) 736 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

সাওম একটি আরবী ভাষার শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ হলো বিরত থাকা।
সাওম কাকে বলে: সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত যাওয়া পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিয়ত করার মাধ্যমে পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকার প্রক্রিয়াকে সাওম বলে।
সাওম কত প্রকার ও কি কি?
আমরা প্রত্যেকেই আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের জন্য সাওম পালন করে থাকি এবং এই রোজা পালন করার মাধ্যমে নৈকট্য লাভ করতে পারি।

কিন্তু এই সাওয়ামের কিছু প্রকারভেদ রয়েছে যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আমরা বিভিন্ন ফজিলত পেতে পারে রোজা রাখার মাধ্যমে।

ইসলামিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী শাওমকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, যথা:

ফরজ রোজা: প্রত্যেক বান্দার উপর ফরজ করা হয়েছে আদায় করার জন্য।
ওয়াজিব রোজা: এটি ফরজ এর সমতুল্য একটি সাওম, যার মাধ্যমে ফরজের সমতুল্য নেকি অর্জন করা সম্ভব।
মুস্তাহাব রোজা: এটির সুন্নতের সমতুল্য তবে সুন্নত নয়, এই সকল রোজা আমাদের প্রিয় নবী আদায় করতে পছন্দ করতেন।
সুন্নত রোজা: সুন্নত রোজা হচ্ছে আমাদের প্রিয় নবীর সবচেয়ে পছন্দের রজাগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং এই রোজাগুলো তিনি কখনো ছেড়ে দিতেন না।
ও নফল রোজা: নফল রোজা আদায় না করলে কোন ধরনের গুনাহ লেখা হয় না এবং আদায় করলে নেকি লেখা হয়। এই সকল রোজার বিষয়ে কোন ফরজ, সুন্নত ও ওয়াজিবের বিধান নেই।
08 মার্চ 2024 মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (অতিথি) (9 পয়েন্ট)
অনুগ্রহ করে আপনার দেওয়া মন্তব্যটি উত্তরের বক্সে দিবেন।এতে করে গুগলে আপনার উত্তরটি আরও জ্ঞান অন্বেষণকারীরা খোজে পাবে।
ধন্যবাদ।
09 মার্চ 2024 মন্তব্য করা হয়েছে করেছেন (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ

সাওম একটি আরবী ভাষার শব্দ। এর শাব্দিক অর্থ হলো বিরত থাকা।
সাওম কাকে বলে: সুবহে সাদিক থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত যাওয়া পর্যন্ত আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে নিয়ত করার মাধ্যমে পানাহার ও ইন্দ্রিয় তৃপ্তি থেকে বিরত থাকার প্রক্রিয়াকে সাওম বলে।
সাওম কত প্রকার ও কি কি?
আমরা প্রত্যেকেই আল্লাহর সন্তুষ্টি আদায়ের জন্য সাওম পালন করে থাকি এবং এই রোজা পালন করার মাধ্যমে নৈকট্য লাভ করতে পারি।

কিন্তু এই সাওয়ামের কিছু প্রকারভেদ রয়েছে যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আমরা বিভিন্ন ফজিলত পেতে পারে রোজা রাখার মাধ্যমে।

ইসলামিক ব্যাখ্যা অনুযায়ী শাওমকে পাঁচটি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে, যথা:

ফরজ রোজা: প্রত্যেক বান্দার উপর ফরজ করা হয়েছে আদায় করার জন্য।
ওয়াজিব রোজা: এটি ফরজ এর সমতুল্য একটি সাওম, যার মাধ্যমে ফরজের সমতুল্য নেকি অর্জন করা সম্ভব।
মুস্তাহাব রোজা: এটির সুন্নতের সমতুল্য তবে সুন্নত নয়, এই সকল রোজা আমাদের প্রিয় নবী আদায় করতে পছন্দ করতেন।
সুন্নত রোজা: সুন্নত রোজা হচ্ছে আমাদের প্রিয় নবীর সবচেয়ে পছন্দের রজাগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং এই রোজাগুলো তিনি কখনো ছেড়ে দিতেন না।
ও নফল রোজা: নফল রোজা আদায় না করলে কোন ধরনের গুনাহ লেখা হয় না এবং আদায় করলে নেকি লেখা হয়। এই সকল রোজার বিষয়ে কোন ফরজ, সুন্নত ও ওয়াজিবের বিধান নেই।


উত্তর দিয়েছেন-

Jagonews24(Official Enolej account of JagoNews24.com)

[উত্তর বক্সে উত্তরটি প্রদান করা হয়নি বলে এখানে উত্তরটি প্রদান করা হলো।এর জন্য অর্জিত পয়েন্ট উক্ত অ্যাকাউন্ট এ প্রদান করা হয়েছে।ধন্যবাদ।]

13 মার্চ 2024 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

0 টি উত্তর
30 জানুয়ারি 2022 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ ইকরামুল ইসলাম (বিশারদ) (1,082 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
30 জানুয়ারি 2022 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ ইকরামুল ইসলাম (বিশারদ) (1,082 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
30 জানুয়ারি 2022 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ ইকরামুল ইসলাম (বিশারদ) (1,082 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
30 জানুয়ারি 2022 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ ইকরামুল ইসলাম (বিশারদ) (1,082 পয়েন্ট)
0 টি উত্তর
30 জানুয়ারি 2022 "ইবাদত" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন মোঃ ইকরামুল ইসলাম (বিশারদ) (1,082 পয়েন্ট)

18,654 টি প্রশ্ন

19,526 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,474 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...