person
!
প্রোফাইল আপডেট

সমাজের অন্যায়-অনিয়ম, এ পৃথিবীর বর্তমান অবস্থা এবং মানব জীবণের স্বার্থকতা নিয়ে আপনি কি কিছু বলবেন?

25 অক্টোবর 2022 "ইন্টারনেট" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন অজ্ঞাতকুলশীল 307 বার প্রদর্শিত
অন্যায়-অবিচার কেন হয়?কেনই বা এত সমস্যা? কিভাবে সমাধান করা যায়? সমাজে এত মারামারি হানাহানি কেনো?কেনই বা মানুষ স্বার্থপর হয়ে গিয়েছে? আমাদের জীবণের আসল উদ্দেশ্য কি? সত্যিকারের বড় মানুষ বলতে মূলত কি বোঝায়?যাতা এমপি মন্ত্রী, তারাই কি আসলে বড় মানুষ? কিভাবে আমরা বড় মানু্ষ হতে পারবো?

সবশেষ দুনিয়ার এ অনিয়ম কিভাবে আমরা বন্ধ করতে পারবো?

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

1 টি পছন্দ 0 অপছন্দ

অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে কজনই পারে?অথচ বেশীরভাগ লোকেরাই নিজেকে অনেক জ্ঞানী মনে করে।

চিন্তাধারা এমন, যেন ইতিহাসও রচনা করতে পারবে।

নিজে ভয় পেয়ে অন্যায়ের পক্ষে যে সাফাই গায়, তাহলে তাদের পাশাপাশি অন্যায়কারী সে নিজে।আর যে রুখে দাঁড়ায়, সে ইতিহাস রচনা করে।

আমরা সহজ পন্থা পছন্দ করি, সে হোক ভালো কিংবা মন্দ।কিন্তু আমরা এটা জানিনা যে, সঠিক পন্থাই আমাদের লক্ষ্য সফল করতে পারে।

আমরা মনে করি নিজে সবকিছু আত্মসাধ করাই আমাদের সফলতা, নিজেকে বড় প্রমাণ করাই আমাদের সফলতা।ভাবখানা এমন যেন এসব করেই নিজের জীবণকে স্বার্থক করে তুলতে পারবো।

কিন্তু এসব অন্যায় অনিয়মের পতন ঘটিয়ে পুরো সমাজকে বদলে দেওয়ার চিন্তা ধারা আমরা কজনেই বা বহন করি?

যদি সবাই এসব চিন্তা করতোই, তবে সবাইই ইতিহাস রচনা করতো, সবার জীবণই স্বার্থক হতো।

সবার জীবণ স্বার্থক হলে এই পৃথিবীও স্বার্থক হতো, কতই না সুন্দর হতো, কত সমস্যাই না সমাধান হয়ে যেতো।


আমরা সকলেই নিজেদের জীবণ স্বার্থক করতে চাই,কিন্তু আমরা জানিনা জীবণের সঠিক স্বার্থকতা কি!


আমরা সকলেই নিজেকে বড় করতে চাই, কিন্তু আমরা এই কথাটার মানেই বুঝিনা "বড় যদি হতে চাও, ছোট হও তবে"।তাইতো সত্যিকার অর্থেই আমরা বড় হতে পারি না।

যারা বড় হয় তাদের জীবণ স্বার্থক।

যদি মনে করেন বড় বড় দালান, বাড়ি-গাড়ি, সহায় সম্পত্তি থাকা মানেই বড় কিছু হওয়া,কিংবা যদি মনে করেন এমপি-মন্ত্রী হওয়া মানেই বড় কিছু কিছু হওয়া, তবে মনে রাখুন - এটাই আমাদের এই সমাজের সবচেয়ে বড় সমস্যা!


মানুষ সেই উদ্দেশ্য সফল করতেই মগ্ন, সে জন্য ভালো মন্দ সবকিছু করতে রাজী।

তাই তো সমাজে এত এত সমস্যা আর অবনতি থাকা সত্বেও দায়িত্বশীল লোকেদের কোনো ভূমিকা নেই, মানুষের কোনো ভূমিকা নেই, খুনাখুনি-হানাহানি।

কারণ, 

"এখন প্রায় সবাইই চায় এবং বিশ্বাস করে, ভালো মন্দ যেকোনো ভাবেই হোক নিজেকে বড় প্রমাণ করতে হবে।"


এখন তো সমাজে এমন কান্ডও ঘটে, "নিজেকে বড় প্রমাণ করার জন্য মারামারিও এখন স্বাভাবিক চিত্র- আমাকে চিনিস? গুষ্টি উদ্ধার করে দেবো"।


এই কি তাহলে বড় হওয়ার সূত্র? এই কি তাহলে " বড় মানুষ" এর বৈশিষ্ট্য? 

এর ফল কি হচ্ছে?সমাজের আরও সমস্যা বাড়ছেই এবং সমস্যা আরও বাড়ছেই।

বড় মানুষ কি সমস্যা তৈরি করে নাকি তার প্রভাবে সমস্যাও সমাধান হয়ে যাবে?

বড় মানুষ কি গরিবদের হক নষ্ট করবে নাকি গরিবদের ভরসা হবে?

নেতাদের আমরা বড় মানুষ বলতে পারি, কিন্তু কজন সত্যিকারের "বড় মানুষ"? 


নাকি 


আমরাও ভয় পেয়ে অন্যায়ের এবং অন্যায়কারীকে সমর্থন ও সম্মান দিয়ে নিজেও অন্যায়কারী হয়ে যাচ্ছি + অন্যায়কারী সৃষ্টি করছি!


এই যদি হয় আমাদের অবস্থা, 

এই যদি হয় আমাদের সমাজের অবস্থা, 


১.তাহলে আমরা কিভাবে একটি আদর্শ সমাজের স্বপ্ন দেখি, 

২.কিভাবে আমরা শান্তি খোজি?

৩.কিভাবে আমরা দাবি করি " আমরা সভ্য সমাজে বসবাস করছি"!! 

৪.কিংবা কিভাবেই বা দাবি করছি আমরা সভ্য সমাজের নাগরিক?!!


""আপনি ঠিক নেই, আমি ঠিক নেই, সমাজ ঠিক নেই, তাহলে এই পৃথিবী কিভাবে ঠিক থাকবে? কোনটা ঠিক আছে এখন?""


যেখানে আমাদের আধুনিক পৃথিবী গড়ার কথা, 

সেখানে মানুষ পড়ে আছে 


"পোষাকের অযৌক্তিক স্বাধীনতা নিয়ে, অশ্লীলতা নিয়ে"।


:sleeping:তাহলে এইসব করে দয়া করে আর নিজেদের সভ্য হিসেবে পরিচয় দিবেন না, আর শান্তি শৃঙ্খলা, নিজের জীবণের স্বার্থকতা এসব নিয়ে চিন্তা করবেন না।


এখন প্রশ্ন করুন "এখন আমি কি করতে পারি?"।


ভাই, কিছু করতে হবে না।আপনার জীবণের মানেই নেই।আপনি এলেন আর গেলেন।


যদি তা না চান, 


তবে আপনার জন্যই এটি বড় সুযোগ, ইতিহাস রচনা করুন।

ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে ইতিহাস রচনা করতে পারলে সব্বাইই করতো।

কাজেই, এখন থেকেই জেগে উঠুন, অন্যায়,অনিয়ম কিংবা অবিচার সবকিছুর বিরুদ্ধে রুখে দাড়াতে হবে, 


নিজের সর্বোচ্চ বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগাতে হবে- 


"কেননা সৃষ্টিকর্তা বুদ্ধিমত্তা এমনি এমনি দেননি!!"

তাকে যথাযথ ব্যবহার করতে হবে।

তবেই না আপনি ইতিহাস রচনা করবেন,

বড় মানুষ হবেন, 

নিজের জীবণের স্বার্থকতা খোজে পাবেন।


যদি আমরা সব্বাই এমন হই, তবেই না আমরা সভ্য জাতি এবং তবেই না আমরা সভ্য জাতি এবং তবেই না আমরা সভ্য জাতি আর সৃষ্টি সেরা "মানু্ষ" জাতি।<3


কাপুরুষ vs হিরো- যে নিজেকে বাচানোর জন্য অন্যায়ের অংশীদার হয় আর যে তা রুখে দিয়ে ইতিহাস রচনা করেন, দুজনেই একদিন এ দুনিয়া ত্যাগ করেন, মারা যান।

কিন্তু একজন হয় ব্যর্থ ভিলেন, আরেকজন হয় স্বার্থক, সত্যিকারের হিরো।:)

Credit: মোঃআশরাফ উদ্দিন খান।

25 অক্টোবর 2022 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,545 পয়েন্ট)

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর

18,654 টি প্রশ্ন

19,525 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,471 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...