person
!
প্রোফাইল আপডেট

'ট্রি-ম্যান' রোগ কেন হয়?

23 অক্টোবর 2019 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন (বিশারদ) (3,720 পয়েন্ট)
28 জুলাই 2020 পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন
278 বার প্রদর্শিত

লিংক কপি হয়েছে!

1 উত্তর

0 পছন্দ 0 অপছন্দ
ট্রি ম্যান রোগের কারন ও চিকিতসা:

সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে ইন্দোনেশিয়াতে এক জেলের দেহে এটি ধরা পড়ে। একে ট্রি-ম্যান রোগ নামে ডাকা হলেও এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘এপিডারমোডিসপ্লাসিয়া ভেরুসিফরমিস’। এছাড়া রোগটিকে ‘লেওয়ানডোস্কি-লুজ ডিসপ্লাসিয়া’ নামেও আখ্যায়িত করা হয়। জার্মান চর্মরোগবিশেষজ্ঞ ফেলিক্স লেওয়ানডোস্কি ও উইলহেলম লুজের কাছে প্রথম এই রোগটি ধরা পড়ে বলে একে ওই নামে আখ্যায়িত করা হয়। ‘হিউম্যান প্যাপিলোমা’ নামের এক ধরনের ভাইরাসের (এইচপিভি) আক্রমণে মানবদেহে এ রোগটি সৃষ্টি হয়।<br>এ রোগের উপসর্গ: এটি হলে ত্বকে ক্যান্সার হওয়ার বড় ধরনের ঝুঁকি থাকে। রোগটিতে হাত এবং পায়ে প্রথমে এক ধরনের ফুস্কুরি তৈরি হয়। মানবদেহে এইচপিভি টাইপ-৫ ও টাইপ-৮ বেড়ে গেলে এ রোগ আক্রমণ করে। সাধারণত ২০ বছর বয়সের মধ্যে এটি মানবদেহে আক্রমণ করে। তবে কখনো কখনো মধ্য বয়সীরাও রোগটিতে আক্রান্ত হতে পারে। দেহের ক্রোমোজোমের মধ্যে ‘এভার-১’ অথবা ‘এভার-২’ জিনের কার্যক্রম দুর্বল হয়ে পড়লে রোগটি সৃষ্টি হয়। বংশগত কারণেই মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয় বলে চিকিৎসকদের ধারণা।<br>ট্রি-ম্যান রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর মুখমণ্ডল, ঘাড়, দেহ এবং গোপন অঙ্গে আঁশযুক্ত লালচে বাদামি রঙের চেপ্টা এক ধরনের ফুস্কুরি দেখা দেয়। ধীরে ধীরে দেহে এগুলো বাড়তে থাকে এবং সারা দেহে ছড়িয়ে পড়ে। অল্প কয়েকটি ক্ষেত্রে দেখা গেছে, এগুলো এক জায়গায়ই সীমাবদ্ধ থেকেছে এবং কম তীব্র হয়েছে।<br>হিউম্যান পাপিলোমা ভাইরাস এমন এক গ্রুপের ভাইরাস যা ত্বক ও শরীরের আর্দ্র ঝিল্লিকে আক্রান্ত করে। এমন শতাধিক রকমের ভাইরাস আছে। এর মধ্যে ৩০ রকম ভাইরাস মানুষের জননেন্দ্রীয়কে আক্রান্ত করতে পারে। এ ভাইরাসের সব রকমের সংক্রমণেই ত্বকে আঁচিল সৃষ্টি করে। এ সংক্রমণ খুব দ্রুত গতিতে ত্বকের বাইরের স্তরে ছড়িয়ে পড়ে। বেশির ভাগ আঁচিল ফুলকপির মতো ছড়িয়ে পড়ে। তা ত্বকের ওপরে অল্প জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। এমন আঁচিল সাধারণত দেখা যায় বাহুতে, মুখে ও কপালে।<br>চিকিৎসা পদ্ধতি: এখন পর্যন্ত রোগের তেমন কার্যকর কোনো চিকিৎসা পদ্ধতি বের হয়নি। ‘ভিটামিন এ’ অ্যাসিট্রেটিন জাতীয় ওষুধ প্রতিদিন ০.৫ মিলিগ্রাম থেকে ১ মিলিগ্রাম সেবন করলে তা এ রোগ প্রতিরোধে কার্যকর হতে পারে। এর সাথে প্রোটিন সমৃদ্ধ ‘ইন্টারফেরনস’ জাতীয় ওষুধ সেবনও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।<br>এছাড়া চিকিৎসকদের মতে, হিস্টামিন জাতীয় ‘সিমেটিডিন’ ওষুধও রোগটি প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করে। তবে কিছু কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন, সিমেটিডিন এ ক্ষেত্রে কার্যকর নয়। বরং ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ ‘ক্যালসিপোট্রিয়ল’ জাতীয় ওষুধ এতে সবেচেয়ে বেশি কার্যকর হতে পারে।<br>২০০৮ সালে রোমানিয়োতে ইয়ন টোডার এ রোগে আক্রান্ত হয়। ২০১৩ সাল পর্যন্ত চিকিৎসায় সে অনেকটাই সুস্থ হয়ে ওঠে। এরপর তার দেহে এ রোগ খুব সামান্য দেখা গিয়েছে। তবে রোগটি নিয়ে গবেষণা আর বেশি দূর এগোয়নি। কিন্তু ২০০৭ সালে ইন্দোনেশিয়াতে আক্রান্ত দেদে কোসওয়ারাকে সুস্থ করা সম্ভব হয়নি। কারণ তার সম্পূর্ণ চিকিৎসার আগেই তিনি মারা গিয়েছিল। ২০০৮ সালে তার দেহ থেকে ৬ কিলোগ্রাম আঁচিল অপারেশন করে আলাদা করা হয়। তখন তাকে নিয়ে ডিসকভারি চ্যানেল একটি প্রতিবেদন প্রচার করে। সম্প্রতি বাংলাদেশে বিরল ট্রি-ম্যান রোগে আক্রান্ত আবুল হোসেনের অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
23 অক্টোবর 2019 উত্তর প্রদান করেছেন (বিশারদ) (3,720 পয়েন্ট)
28 জুলাই 2020 পূনঃপ্রদর্শিত করেছেন

সংশ্লিষ্ট প্রশ্নগুচ্ছ

1 উত্তর
29 ডিসেম্বর 2019 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sabbir hosain shakil (বিশারদ) (1,222 পয়েন্ট)
1 উত্তর
28 ডিসেম্বর 2019 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Sabbir hosain shakil (বিশারদ) (1,222 পয়েন্ট)
1 উত্তর
04 নভেম্বর 2019 "সাধারণ জ্ঞান" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Durjoy (বিশারদ) (1,161 পয়েন্ট)
1 উত্তর
05 অক্টোবর 2019 "ইতিহাস" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন পার্থ (বিশারদ) (2,763 পয়েন্ট)
1 উত্তর
28 অক্টোবর 2020 "স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা" বিভাগে জিজ্ঞাসা করেছেন Anisa Islam (বিশারদ) (1,746 পয়েন্ট)

18,653 টি প্রশ্ন

19,566 টি উত্তর

2,578 টি মন্তব্য

103,475 জন সদস্য

-: ই-নলেজ আইডিয়া :-

এক প্ল্যাটফর্মে কন্টেন্ট/লেখার কপিরাইট সুরক্ষা, স্বীকৃতি আর ফ্রী প্রমোশন!

লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম আপনার ধারণাটাই বদলে দিবে! (পড়ুন...)

আপনি কি জানেন—প্রতি সেকেন্ডে কারও না কারও লেখা চুরি হচ্ছে? আপনার লেখাগুলো কি নিরাপদ? যখন লেখা ছড়িয়ে থাকে—সোশ্যাল মিডিয়া, ব্লগ কিংবা সংবাদপত্রে—হযবরল অগোছালো অবস্থায়… তখন একদিকে চুরির ভয়, অন্যদিকে লেখক হারান নিজের পরিচয়। প্রমাণও থাকে না। পাঠকও বা কিভাবে পাবে মূল লেখকের সংস্পর্শ?

ই-নলেজ আইডিয়া—আপনার কেন্দ্রীয় লেখালেখির ঠিকানা। প্রতিটি লেখার জন্য থাকছে ভেরিফাইড পোষ্ট আইডি (eID), আর আপনার জন্য কেন্দ্রীয় লেখক আইডি নম্বর—যেটা ব্যবহার করতে পারেন Bio, CV, কিংবা বই-র রেফারেন্সে। আর ই-আইডি(eID) জুড়ে দিবেন প্রতিটি লেখার সঙ্গে। (যেমন- পোষ্ট eID: ১২৩ ; #eID_123 #enolej)। ফলে কপিরাইট সুরক্ষা থাকবে নিশ্চিত, আর পাঠক থাকবে মূল লেখকের সংস্পর্শে। আর ভেরিফাই হলে করতে পারবেন আপনার পেজ কিংবা ব্লগ এর ফ্রী প্রমোশন!

আপনার লেখক প্রোফাইলেই থাকবে আপনার আর্কাইভ—সব লেখা, ব্যাজ, পয়েন্ট, স্বীকৃতি আর পাঠকের প্রতিক্রিয়া সুশৃঙ্খলভাবে গোছানো।

এখানে আপনি একা নন, পাচ্ছেন লেখক কমিউনিটি। বিভিন্ন জায়গায়, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে হাজারো লেখক ছড়িয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম একটাই—যেখানে আপনার স্বত্ব, স্বীকৃতি আর অবস্থান সুরক্ষিত। কেউ কারও eID নকল করতে পারবেনা, কেন্দ্রীয় সোর্স একটাই। এখানেই থাকছে লেখক র‍্যাংক—যেখানে তুলনায় ঝলমল করে উঠবে আপনার কৃতিত্ব।

এটাই আপনার কেন্দ্রীয় ঠিকানা। ভেরিফাই করুন আজই—আপনার লেখাকে দিন স্থায়ী সুরক্ষা।

বিস্তারিত পূর্ণ নির্দেশনা দেখুন পূর্ণ নির্দেশনা [Full Guideline]

ই-নলেজ আইডিয়া – লেখালেখির কেন্দ্রীয় প্ল্যাটফর্ম!

ই-নলেজ কুয়েরি বাংলা ভাষায় সমস্যা সমাধানের একটি নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট। এখানে আপনি প্রশ্ন-উত্তর করার মাধ্যমে নিজের সমস্যার সমাধানের পাশাপাশি দিতে পারেন অন্যদের সমস্যার নির্ভরযোগ্য সমাধান! বিভিন্ন ব্যক্তিগত সমস্যা, পড়ালেখা, ধর্মীয় ব্যাখ্যা, বিজ্ঞান বিষয়ক, সাধারণ জ্ঞান, ইন্টারনেট, দৈনন্দিন নানান সমস্যা সহ সকল বিষয়ে প্রশ্ন-উত্তর করতে পারবেন! প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পাশাপাশি অনলাইনে বাংলা ভাষায় উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য!
তাই আজই যুক্ত হোন ই-নলেজে আর বাড়িয়ে দিন আপনার জ্ঞানের গভীরতা...!
Empowering Novel Learners with Joy (Enolej)


...